যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব এবার বিমান চলাচলে সরাসরি পড়েছে। শুক্রবার একদিনেই দেশজুড়ে ৫ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বিত হয়েছে। সরকারি অচলাবস্থার কারণে বিমান চলাচল সীমিত করার নতুন নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার দিনেই এই বিপর্যয় ঘটে। খবর বিবিসির।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ৪০টি বৃহত্তম বিমানবন্দরে শুক্রবার থেকে ফ্লাইট সংখ্যা কমানো হয়েছে। এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার ও অন্যান্য ফেডারেল কর্মীদের চাপ কমাতে, যারা সরকারের তহবিল সংকটের কারণে বেতন ছাড়াই কাজ করে যাচ্ছেন।
এফএএ সূত্রে জানা গেছে, ‘অত্যাবশ্যক কর্মীরা’ গত মাস থেকে বেতন না পাওয়ায় অনেকেই অসুস্থতার অজুহাতে ছুটি নিচ্ছেন অথবা জীবিকা নির্বাহের জন্য বিকল্প চাকরি নিচ্ছেন। এতে বিমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে ফ্লাইট সংখ্যা ৪ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দিয়েছে, যা আগামী সপ্তাহে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন ডিসির মতো প্রধান বিমানবন্দরগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এফএএ জানায়, বিমান নিয়ন্ত্রণকর্মীরা টানা কাজের চাপে মানসিকভাবে ক্লান্ত হলেও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সরকারি তহবিল সংকট অব্যাহত থাকলে আসন্ন সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান চলাচলে আরও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা রয়েছে।


