বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শায়রুল কবির খান জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারেক রহমানের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রোববার নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখাও এ তথ্য নিশ্চিত করে।
এর আগে শনিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে যান তারেক রহমান। সেখানে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তিনি। নিবন্ধনের সময় আঙুলের ছাপ, চোখের মণির প্রতিচ্ছবি এবং অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
বিএনপির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, ২৭ ডিসেম্বর তারেক রহমান ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হবেন। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে। এনআইডি নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর জানিয়েছিলেন, বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার পর তারেক রহমানের এনআইডি পেতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০০৭–২০০৮ সালে দেশে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। ২০০৮ সালে কারামুক্তির পর উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন দেশে ফিরতে না পারায় তারেক রহমান তখন ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেননি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান দেশে এসে ভোটার হন। তারেক রহমানের মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টের ঠিকানায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হন।


