বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া–এর দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অগণিত মানুষ জড়ো হন। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক জানাজা পরিচালনা করেন।
জানাজার আগে খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উপস্থিত মুসল্লি ও দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন। তিনি বলেন, তাঁর মা জীবদ্দশায় কারো কাছে কোনো ঋণী হয়ে থাকলে যোগাযোগ করলে তা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে তাঁর আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক **নাহিদ ইসলাম**সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। কূটনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী মহলের প্রতিনিধিরাও জানাজায় অংশ নেন।
রাষ্ট্রীয় শোকের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হওয়া এই দাফনে নিরাপত্তা ও আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে দেশ এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেত্রীকে হারাল—এমন অনুভূতিই জানাজা ও দাফনকেন্দ্রিক জনসমাগমে প্রতিফলিত হয়।


