আজ ২৭ অক্টোবর, বিশ্ব অকুপেশনাল থেরাপি দিবস। ‘অকুপেশনাল থেরাপি ইন অ্যাকশন’ ও ‘সবার জন্য অকুপেশনাল থেরাপি’ প্রতিপাদ্যে বিশ্বের ১১১টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও উদযাপিত হচ্ছে দিবসটি। এ বছর এটি ১৬তম বিশ্ব অকুপেশনাল থেরাপি দিবস।
অকুপেশনাল থেরাপি এমন এক চিকিৎসা পদ্ধতি, যা শারীরিক, মানসিক, সামাজিক বা পরিবেশগত প্রতিবন্ধকতা দূর করে রোগীকে দৈনন্দিন জীবনে স্বনির্ভর হতে সহায়তা করে। প্রতিবন্ধী শিশু, মানসিকভাবে চ্যালেঞ্জড ব্যক্তি কিংবা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত রোগীরা এ চিকিৎসার মাধ্যমে পুনর্বাসন পেয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।
বাংলাদেশে দিবসটি উদযাপন করেছে বাংলাদেশ অকুপেশনাল থেরাপি অ্যাসোসিয়েশন (বিওটিএ), বাংলাদেশ হেলথ প্রফেশনস ইনস্টিটিউট (বিএইচপিআই) ও পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি)। মিরপুরের সিআরপি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন চিকিৎসক, থেরাপিস্ট, রোগী ও অভিভাবকরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিআরপির অকুপেশনাল থেরাপি বিভাগের প্রধান রাকিব হোসাইন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিওটিএ-র সহসভাপতি অনিমা দাস নুপুর, সিআরপির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোর্শেদুল কাদের, কিউর এসএমএ বাংলাদেশের সভাপতি শাহাদাত হোসেন ও অর্থ সম্পাদক ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ক্লিনিক্যাল অকুপেশনাল থেরাপিস্ট মনীষা চক্রবর্তী।
বক্তারা বলেন, “অকুপেশনাল থেরাপি শুধু চিকিৎসা নয়, এটি আত্মনির্ভরতার একটি প্রক্রিয়া। এই চিকিৎসা পদ্ধতি অটিজম, এডিএইচডি, সেরিব্রাল পালসি, ডাউন সিনড্রোম, গুলেন ব্যারি সিনড্রোম (জিবিএস) এবং এসএমএ আক্রান্ত শিশুদের পুনর্বাসনে কার্যকর ভূমিকা রাখে।”
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে বিরল রোগ স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি (এসএমএ) নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি ও স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা জানান, বাংলাদেশে এখনো অনেক এসএমএ রোগী চিকিৎসার আওতার বাইরে রয়েছেন। সচেতনতা বাড়াতে সিআরপি ও কিউর এসএমএ বাংলাদেশ যৌথভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে।


